আমি দ্বিমতপোষণ করছি। ব্যতিক্রম কখনোই উদাহরণ হয় না। প্যাটার্ন খুঁজে দেখুন- ৯০% ঘটনাকে আপনি ১০% ঘটনা দিয়ে উড়িয়ে দিতে পারবেন না। সবার ভাগ্য বা সিচুয়েশন আপনার মতো নাও হতে পারে। আমি এমন অনেক জায়গা দেখেছি যেখানে ঘুষ ছাড়া কোনো কিছু করা সম্ভবই না। (এবং আপনি সার্চ করে দেখতে পারেন - দুর্নীতি দমন কমিশনের ভেতরে দুর্নীতি কম হয় না।)
আমার জন্মের পরে বাংলাদেশের কোথাও দেখি নাই ঘুষ লাগে না, একটা বাচ্ছার জন্ম নিবন্দন আানাইতেও ঘুষ লাগে, এই দেশ থেকে আর কি আশা করা যায়
এটা মিথ্যা কথা; আমি জাতীয়-পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং টেস্ট, টিন সার্টিফিকেট, পিতার ওয়ারিশ সনদ, ভূমি নামজারী, সিটি কর্পোরেশনে হোল্ডিং বিভক্তি ও নাম পরিবর্তন করেছি; কোনো ঘুষ লাগেনি আলহামদুলিল্লাহ।
আমিও বেশ কিছু জায়গায় ঘুষ ছাড়াই করেছি কাজ। বর্তমানে মানুষের ধারণাগুলোই নেগেটিভ দিকে। পজেটিভ কিছু যে থাকতেও পারে সেটা তারা জানে না, এমনকি জানতে চায়ও না। — (পরিমাণে খুবই কম; কিন্তু আছে)
এখানে অভিযগ জমা হয়েছে কি না যাচাই হিস্ট্রি এবং কনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা আপডেট মেসেজ ফিচার টা দেওয়া খুবি জুরুরি সাথে যদি কনো ভিডিও বা ওডিও প্রমান অ্যাড কিরার অপসন থাকে এটা বাধ্যতা মুলক মা তবে অভিযগ জমা হয়েছে কি না যাচাই হিস্ট্রি এবং কনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা আপডেট মেসেজ ফিচার টা দেওয়া খুবি জুরুরি
History যাচাই করতে গেলে আপনার আইপি অ্যাড্রেস বা ইমেইল বা কোনো একটা পরিচয় জ্ঞাপক তথ্য এখানে থাকতে হবে। এবং সেটা করা হলে এই ওয়েবসাইটের মূল লক্ষ্যই ব্যাহত হবে।
এই সাইটের মূল উদ্দেশ্যই হলো কারা ঘুষ নেয় তা নিয়ে। এখন কারা নেয় না তা এড করতে গেলে পুরো আরেকটি সাইট হয়ে যাবে।
আমি এখানে আমার মতামত দিয়েছি, বন্ধু। এবং মতামত দিয়েছি সাইট যে তৈরি করেছে তাকে। সেই ভেবে দেখুক। সবকিছু আপনাকেই কেন ভাবতে হবে!? আপনার ভাবতে মনে চাইলে নতুন কোন মতামত লিখুন; আমার মতামতের মাঝে না। — (এবার একটু কমনসেন্স বলি, আপনার কি মনে হয় যে - বাংলাদেশের অনেক বেশি জায়গা থাকবে যেইখানে ঘুষ নেয় না? এতোই বেশি যে আরেকটা ওয়েবসাইট হয়ে যাবে?) _—_ আমি আপনার কাছ থেকে কোনো রিপ্লাই আশা করছি না এই প্রশ্নের। আপনি ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।
সহমত
ঘুষ দিতেই হয়, এরকম কোনো জায়গা বাংলাদেশে নেই; দেওয়াই লাগেনা এটাই সব জায়গার নিয়ম; আপনি যদি ঘুষ চাইলে দিতে রাজি হয়ে যান, সেটার আপনার সমস্যা; ঘুষ চাইলেই দেওয়া লাগে না; বরং আপনি দুর্নীতি দমন কমিশনে চিঠি পাঠিয়ে ঘুষ খোরের চাকরি নিয়ে নিতে ক্ষমতা রাখেন; আমার মোবাইল চুরির একটা জিডি করেছিলাম থানা থেকে কল দিয়ে বলেছিলো মোবাইল যদি উদ্ধার করে দিতে পারে সেই ক্ষেত্রে টাকা দিতে, সেটা আমি আলহামদুলিল্লাহ দুদক-এ অভিযোগ দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করি; পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে এসপি অফিসে চিঠি যায়; এসপি থেকে কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক; তিনি আমাকে থানার মাদ্ধমেই শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকেন ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬০ ধারায়; থানায় যাওয়ার পর বেচারা ঘুষখোর ওনার সহকর্মীকে দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করলো যাতে অভিযোগটা তুলে নেই দরকার হলে আমাকে একটা মোবাইল কিনে দিবে (নাউযুবিল্লাহ); আমি তো জিজ্ঞাসাবাদে গেলামই রোজা রেখে; কোর্ট পুলিশ পরিদর্শককে প্রায় ঘন্টা খানেক সময় নিয়ে বর্ণনা করলাম এসির বাতাসে বসে; পরে উনি বললেন রোজার দিন আমাকে কিছু খাওয়াতে পারলেন না; একদিন ইফতারের দাওয়াত দিবেন যদিও আমি পরে বলেছি যে ঢাকায় থাকি; এতে করে আমি ঘুষ দিলাম না এবং ঘুষের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নিলাম; আল্লাহ আমাকে সম্মানিত করলেন।