ঘুষ গ্রহণকারীর নাম, পদবী, প্রতিষ্ঠান ও ছবি বা ভিডিও আপলোডের অপশন চালু করা এখনকার সময়ে সকলের দাবী
ঘুষ গ্রহণকারীর নাম, পদবী, প্রতিষ্ঠান ও ছবি বা ভিডিও আপলোডের অপশন
Pending
1 hour ago
আমি একজন স্থানীয় এনজিও কর্মী। আমাদের অধিকাংশ প্রকল্প আন্তর্জাতিক এনজিওর অর্থায়নে পরিচালিত হয়, তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এনজিও বিষয়ক ব্যুরো থেকে অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক।
আমার প্রকল্পটি ছিল Plan International Bangladesh অর্থায়নে Y-Moves প্রকল্প যার মেয়াদ ছিল জানুয়ারি ২০২০ থেকে ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত, মোট ৫ বছর। প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ছিল ১৪,০০,০০০ টাকা।
নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৬ মাস পর পর ব্যুরো থেকে অর্থছাড়ের অনুমোদন নিতে হয়। প্রতিবার অনুমোদনের জন্য ১০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। বছরে ২ বার হিসেবে ৫ বছরে মোট ১০ বার, অর্থাৎ শুধু অর্থছাড়ের জন্যই ১,০০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
এছাড়া প্রতিবছর অডিট রিপোর্ট অনুমোদনের জন্য আরও ৫,০০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়।
৫ বছরে সেখানে মোট ২৫,০০০ টাকা। অর্থাৎ মোট প্রকল্প মেয়াদে মোট ১,২৫,০০০ থেকে ১,৩০,০০০টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি। বিশেষ করে সেখানে উচ্চমান সহকারী এ.কে.এম. মাহিনুর ইসলাম নামে একজন হারামজাদা রয়েছে। যে ঘুষের টাকা পকেটে নিয়ে অফিসের নিচ তলায় মজিদে নামাযের সময় নামাজ পড়তে যেতেন। তার কাছে সব ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
এর বাইরেও আবেদন জমা দিতে গেলে অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে ফাইল রেজিস্টারকারী পর্যন্ত প্রত্যেক ধাপে ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে, যার কোনো হিসাব থাকে না।
এই ঘুষের টাকা না দিলে "এখানে ভুল আছে, ওখানে কাগজ নেই, স্বাক্ষর নেই" ইত্যাদি অজুহাতে হয়রানি করা হয় এবং মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখা হয়। ফলে যথাসময়ে প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না।
আমি একজন স্থানীয় এনজিও কর্মী। আমাদের অধিকাংশ প্রকল্প আন্তর্জাতিক এনজিওর অর্থায়নে পরিচালিত হয়, তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এনজিও বিষয়ক ব্যুরো থেকে অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। আমার প্রকল্পটি ছিল Plan International Bangladesh অর্থায়নে Y-Moves প্রকল্প যার মেয়াদ ছিল জানুয়ারি ২০২০ থেকে ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত, মোট ৫ বছর। প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ছিল ১৪,০০,০০০ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৬ মাস পর পর ব্যুরো থেকে অর্থছাড়ের অনুমোদন নিতে হয়। প্রতিবার অনুমোদনের জন্য ১০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। বছরে ২ বার হিসেবে ৫ বছরে মোট ১০ বার, অর্থাৎ শুধু অর্থছাড়ের জন্যই ১,০০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। এছাড়া প্রতিবছর অডিট রিপোর্ট অনুমোদনের জন্য আরও ৫,০০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। ৫ বছরে সেখানে মোট ২৫,০০০ টাকা। অর্থাৎ মোট প্রকল্প মেয়াদে মোট ১,২৫,০০০ থেকে ১,৩০,০০০টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি। বিশেষ করে সেখানে উচ্চমান সহকারী এ.কে.এম. মাহিনুর ইসলাম নামে একজন হারামজাদা রয়েছে। যে ঘুষের টাকা পকেটে নিয়ে অফিসের নিচ তলায় মজিদে নামাযের সময় নামাজ পড়তে যেতেন। তার কাছে সব ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। এর বাইরেও আবেদন জমা দিতে গেলে অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে ফাইল রেজিস্টারকারী পর্যন্ত প্রত্যেক ধাপে ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে, যার কোনো হিসাব থাকে না। এই ঘুষের টাকা না দিলে "এখানে ভুল আছে, ওখানে কাগজ নেই, স্বাক্ষর নেই" ইত্যাদি অজুহাতে হয়রানি করা হয় এবং মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখা হয়। ফলে যথাসময়ে প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না।